ইসলাম articles

অমুসলিমদের দৃষ্টিতে মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

অমুসলিমদের দৃষ্টিতে মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

অমুসলিমদের দৃষ্টিতে মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম   মুহাম্মাদ, সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। কোটি মানুষের হৃদয়ে অঙ্কিত একটি নাম। পৃথিবীর ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ মানব, সবচয়ে সফল মানব। শুধু মুসলিমই নয়, যুগে যুগে তার শ্রেষ্ঠত্বের ঘোষণা দিয়েছে  অমুসলিমরাও। অথচ  আজকাল একদল কূপমন্ডুক ইসলামবিদ্বেষী মানবতার মুক্তিদূত নবি মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে কটূমন্তব্য করতে দ্বিধা করছে না। এখানে মুহাম্মদ

ইভটিজিং একটি সামাজিক ব্যাধি; সমাধান কোন পথে? [তৃতীয় পর্ব]

ইভটিজিং প্রতিরোধে পুরুষের প্রতি ইসলামের নির্দেশনা: ইভটিজিং ও এ জাতীয় অন্যায় থেকে বেঁচে থাকতে পুরুষকে মৌলিক নির্দেশনা দিয়েছেন যে, সে যেন তার দৃষ্টি অবনত রাখে। কারণ এখান থেকেই শুরু ইভটিজিংয়ের। قُل لِّلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ ذَلِكَ أَزْكَى لَهُمْ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِمَا يَصْنَعُونَ অর্থাৎ, আপনি মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে

ইভটিজিং একটি সামাজিক ব্যাধি; সমাধান কোন পথে? [দ্বিতীয় পর্ব]

লজ্জা ও শালীনতা: লজ্জা নারীর স্বভাবজাত বিষয়। আমরা দেখি মেয়ে শিশু স্বভাবতই লজ্জাশীলা হয়। কিন্তু পরিবেশ এই স্বভাবকে অসুস্থ করে তোলে। যেমন হাদীসে এসেছে ‘‘প্রতিটি শিশুই ইসলাম গ্রহণের স্বভাবজাত যোগ্যতা নিয়ে জন্ম নেয়, কিন্তু মাতা পিতা তাকে ইহুদী বা নাসারা বানায়’’। আর লজ্জা ও শালীনতাবোধ অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।  শালীনতার চূড়ান্ত শরয়ী রূপ হল পর্দা। পর্দার মধ্যে

ইভটিজিং একটি সামাজিক ব্যাধি; সমাধান কোন পথে? [প্রথম পর্ব]

ইভটিজিং একটি সামাজিক ব্যাধি। আমাদের সমাজে তা এখন ভয়াবহ আকারে রূপ নিয়েছে। সচেতন মহল নিজ নিজ অবস্থান থেকে এর প্রতিকার নিয়ে চিন্তা করছেন। এর প্রতিকারে রাষ্ট্রীয় আইন হচ্ছে, শাস্তি হচ্ছে, রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক ব্যানারে এর প্রতিবাদে মিছিল-মানববন্ধন হচ্ছে। গণমাধ্যমে কলাম, ফিচার লেখা হচ্ছে, টিভি প্রতিবেদন হচ্ছে। সকলেই চান জাতিকে এই কলঙ্ক থেকে মুক্ত করতে। জাতীয় এই কলঙ্ক

সম্পদের অপচয় একটি গর্হিত কাজ [দ্বিতীয় পর্ব]

যেমনিভাবে একদিকে সম্পদ আল্লাহর নিয়ামত, অপরদিকে তা আমাদের হাতে আল্লাহর পক্ষ থেকে আমানতও। তাই এর যথাযথ ব্যবহার না করলে, অযথা-অপ্রয়োজনে তা নষ্ট করলে, অপচয় করে বেড়ালে এ আমানতের খেয়ানতকারী হিসেবে জবাবদিহিতার মুখেও পড়তে হবে। হাদীসের ভাষ্য খুবই স্পষ্ট এবং কঠিন! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- لاَ تَزُولُ قَدَمَا عَبْدٍ يَوْمَ القِيَامَةِ حَتّى يُسْأَلَ عَنْ عُمُرِهِ

Top